ইলুমিনাতি ও কেপপ ইন্ডাস্ট্রির অন্ধকার যুগ

ইলুমিনাতির গোপন ইতিহাস!
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইলুমিনাতি হল একটি মানব রচিত এক প্রকার ধর্মীয় গুপ্ত সংগঠন। তবে এখানে তারা ধর্মটিকে শুধু অস্ত্র হিসেবেই ব্যাবহার করে নাই। তাদের মূল উদ্দেশ্য হল পুরা পৃথিবীতে কিছু নিয়মনীতি প্রণয়ন করে ক্ষমতা দখল ও অর্থ আত্মসাৎ,পুরো পৃথিবীকে শাষন করা,দুই দেশের মধ্যে যুদ্বের উত্তেজনা উঠিয়ে দিয়ে অস্ত্র বিক্রি করা,রাজতন্ত্র উঠিয়ে ফেলা,পৃথিবী থেকে ধর্ম র্বন ,বিবাহ বন্ধন উঠিয়ে ফেলা,সমকামিতা সৃষ্টি করা ।এক কথায় নিজেদের মত নিয়মনীতি করে পুরো পৃথিবীকে শাষন করা।

ইলুমিনাতি প্রতিষ্ঠিত হয় ১ মে,১৭৭৬ সালে । এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন অ্যাডাম ওয়েইশাপুত,যিনি ছিলেন ইঙ্গলস্তাদত বিশ্ববিদ্যালয় এর “ক্যাথলিক গির্জা আইন” বিভাগের প্রথম অধ্যাপক । এই সংগঠনে সর্বপ্রথম সদস্য সংখ্যা ছিলেন ৫ জন। ১৭৮৪ সালের শেষে, মোট সদস্য হয়ে যায় ৬৫০! যদিও অ্যাডাম দাবি করেন সংখ্যাটা আড়াই হাজার। তারপর আস্তে আস্তে একদম সেকুলার হবার কারণে ইলুমিনাতির অভ্যন্তরে ধর্মবিদ্বেষ চোখে পড়তে লাগল। ফলাফল দাঁড়াল- ইলুমিনাতি যে একটি নাস্তিক সংঘ, সেটা রটে গেল ইউরোপে। ধর্মহীন ইলুমিনাতির বিরুদ্ধে জোর গণমত গড়ে উঠল।তারপর তার সরকার সকল গুপ্ত সংঘ নিষিদ্ধ ঘোষণা করল। এই ব্যান আসলো ১৭৮৫ সালের ২ মার্চ। অ্যাডাম পালিয়ে গেলেন আর ইলুমিনাতির প্রচুর নথিপত্র সরকারের হাতে এসে গেল, এবং দু’বছর বাদে সরকার সেটা প্রকাশও করে দিল ব্যাস ইলুমিনাতি ভেঙ্গে যায়। তখন ঐ সময় আরেকটি গুপ্ত সংগঠন ছিল ফ্রিম্যাসনারি। পরবর্তীতে ইলুমিনাতির সদস্যরাই আস্তে আস্তে সবাই ফ্রিম্যাসনারি তে যোগ দিতে থাকে পরে সময়ের সাথে সাথে ফ্রিম্যাসনারি গুপ্তসংগঠন টাই ইলুমিনাতি হয়ে আবার অস্তিত্ব প্রকাশ করে।  তানপর যে এটি আবিষ্কার করেছে এবং এর সাথে জড়িত প্রধান সদস্যের একটা বই ১৮০০ সালে প্রকাশ পায়

দুইটা বইয়ের মাধ্যমে আবারো আলোচনা সমালোচনায় চলে আসে ইলুমিনাতি এবং ঐ বইয়ে তাদের বিভিন্ন উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়। যাই হোক বেশি ভিতরে না যাই

কথিত আছে ইলুমিনাতি হচ্ছে লুসিফার (শয়তান) এর উপসনা করে। শয়তান লুসিফাই, এক চোখ, পিরামিড লঘো, 666 সাইন,সাদাকালো চেকবোর্ড এগুলোর সাথে আমরা মোটামুটি পরিচিত এগুলো সব ফ্রিম্যাসনারি সংগঠনের ছিল যা পরবর্তীতে ইলুমিনাতির সদস্যরা এসে ফ্রিম্যাসনারিকেই ইলুমিনাতি বানিয়ে ফেলে।

তারা যে শয়তান লুসিফাইয়ের উপাসনা করে তা হলো নমরুদ যে আল্লাহ কাছে সিজদা দিতে রাজি হয় নি  ইসলামিক অনেক আগের ইতিহাস ও মুহাম্মদ (সঃ)এর অনেক কথা আছে সেগুলো জেনে নিবেন। ঐ প্রসঙ্গে গেলাম না,

ইতিহাসের শুরু থেকেই ক্ষমতাবান মানুষেরা মানুষ ও সমাজকে নিজেদের খেয়াল খুশীমতো চালাতে চেয়েছে। যড়যন্ত্রের পর ষড়যন্ত্রের করে এসেছে। সেই ধারা এখনও চলছে। অল্প কিছু সংখ্যক লোক লোকচক্ষু এবং পর্দার অন্তরাল থেকে নিখুঁত পরিকল্পনা মাধ্যমে ঘটিয়ে ফেলছে বড় বড় ঘটনা। যুদ্ধ বিগ্রহ। সামাজিক বিপ্লব। এমনকি বড় বড় সন্ত্রাসী ঘটনা পর্যন্ত।  ইলুমিনাতি বিশ্বময় One World Order প্রতিষ্ঠা করতে চায় । এই অর্ডার এর উদ্দেশ্য হলো পৃথিবীর সব মানুষকে এক কাতার এ রাখা। কিন্তু সেটা কোন ভালো কাতার না। এই কাতার হবে শুধু গোলাম এর।গোলাম কারা হবে? সাধারন মানুষ মানে আমরা
আর শাষন করবে শুধু একটি সংগঠন।ধর্ম, বর্ন, জাতি কিছুই থাকবে না।এত বড় মাস্টার প্ল্যানিং নিয়া ঐ সংগঠনে কাজ করে যাচ্ছে এ পৃথিবীর যত বড় বড় রাঘববোয়াল। অনেকেই মনে করেন পুরা অ্যামেরিকাই তাদের কথা মত চলে।মনে করার ও কারন আছে আবহ্রাম লিংকনকে খুন,১/১১ থেকে শুরু করে ডোনালট্রাম্প কে প্রেসিডেন্ট বানানোর পেছনে তাদের অবদান রয়েছে।

অ্যামমেরিকার ডলারেও রয়েছে ঐ সংগঠনের চিহ্ন।এবার আসি রাজনৈতিক কোন কোন ব্যাক্তি ইলোমিনাতির সাথে জড়িত। এগুলো নিয়ে নানান আলোচনা সমালোচনা হয়েছে তবে যাই হোক একনজরে চিনে রাখাও ভালো।

ইলোমিনাতির সাথে জড়িত থাকার কিছু সিম্বল।

জর্জ ডব্লিউ বুষ

বারাক ওবামা

ডোনাল ট্রাম্প

মোদী

হিলারি ক্লিনটন

কিম জয় উন

এতো গেল রাজনৈতিক ব্যাক্তিতদের নাম

হলিউড, বলিউড পুরাটাই তাদের দখলে

কিং খান শাহরুখ খানও আছে এই দলে

ফুটবলারও বাদ যান নি

বলা যায় বর্তমান পৃথিবীর যত বড় সেলিব্রেটি,রাজনৈতিক ব্যাক্তি  আছে, তারা প্রায় সবাই ইলুমিনাতির সদস্য।কেউ ইচ্ছায় জয়েন করে, আবার কেউ চাপ প্রয়োগে জয়েন করে।
কেউ সেলিব্রেটি হওয়ার পর ইলুমিনাতি জয়েন করে, আবার কেউ ইলুমিনাতির সাহায্য নিয়ে সেলিব্রেটি হয়। ইলুমিনাটি কাউকে কনো উদ্দেশ্য ছাড়া কিছু দেয় না। সেলিব্রেটি বানায়, কিন্তু তার বিপরীতে ১৬ আনা উশিল করে নেয়।তাদের সবচেয়ে বড় আয় হলো, তারা যেই সেলিব্রেটি,পলিটেশিয়ান,বিজনেসমেন দের তৌরী করে, তারা প্রতি মাসে বিশাল অংকের একটা ফান্ড দেয় এই রথচাইল্ড ফেমিলিকে “One world order” এর জন্য। আমরা জানি পৃথিবীর সব বিশ্ব তারকারা যদি একটা সংস্থাতে ফান্ড করে তবে তার আকার কেমন হতে পারে। তা হয়তো আপনার আমার চিন্তার বাইরে। এই ফান্ড এর কারনেই মূলতো এতো শক্তিশালী এই সংগঠন আর সাথে তো আছেই এই পৃথিবীর যত রাজনৈতিক নেতাগন

এখন হয়তো ভাবছেন, ফেমাস সেলিব্রেটি,বড় পলিটেশিয়ান, বিশাল বিজনেসম্যান ইলুমিনাতি করে বা ঐ সংগঠনে আছে তাদের তো নিদিষ্ট ধর্ম আছে সেলিব্রটিরা যদি শয়তানের উপাসনা না করে!!
সবাই কিন্তু শয়তান এর পূজা করে না। বলা যায় যে, যারা শয়তান এর পূজা করে তারা ইলুমিনাতির কোর টিম এর মেম্বার। এবং অন্যরা সদস্য।

এরা বিভিন্ন মাধ্যমে পুরো পৃথিবী কন্ট্রোলে রাখছে । এই এজেন্ট কারা জানেন ? আজকের মেডিয়া জগতের বড় বড় সেলিব্রেটিরায় যারা আমাদের ব্রেইনকে কন্ট্রোলে রাখছে।
ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিকে সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রন করছে দাজ্জাল, জী ব্রিটনী স্পেয়ার্স, ক্যাটি পেরি,মাইলি সাইরাস, লেডি গাগা, জাস্টিন বিবার, রিয়ান্না, এরিনা গ্রান্ড, সেলেনা গোমেজ, কিয়ানু রিউভস সহ আরো হাজার খানেক সুপার স্টার।

বলা হয় এরা সবাই ফ্রিম্যাসনারি বা ইলুমিনাতির সৃষ্ট।
অর্থাৎ, ওয়ার্ল্ডের নেক্সট শ্যাটানিক হেয়ার স্টাইল, নেক্সট শ্যাটানিক ট্যাটু ও নেক্সট শ্যাটানিক ড্রেস কোড কি হবে,নেক্সটে কি ট্রেন্ড চালু হবে এটা ফ্রিম্যাসনারি বা ইলুমিনাতিরা নিধার্রন করে। এই সংগঠন যেভাবে চাইবে সেবাবেই সব হবে প্রত্যেকটা সেলিব্রেটিই তাদের নিয়ন্ত্রণভারে চলে। আর প্রত্যেকটা সেলিব্রেটি যেভাবে চায় সেভাবেই ফ্যানরা চলে।

খেয়াল করলে দেখা যাবে যেসব মিউজিশিয়ান বা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি গুপ্ত সংগঠনের সাথে জড়িত তাদের গানের মিউজিক ভিডিওতেও,গানের লিরিক্সে কন্সপেরিসি থিওরি দেওয়া থাকে। কন্সপেরিসি থিওরি কি সেটা বুঝিয়ে বলছি।কন্সপেরিসি থিওরি অর্থ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব (ইংরেজি Conspiracy theory) মূলত কোন ঘটনার এমন ব্যাখ্যাকে বোঝায়, যা সুস্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া কোন গভীর ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে থাকে, যুক্তিতে যে তারা এর মাধ্যমে অসৎ উপায়ে এবং ক্ষতিকর পন্থায় নিজেদের ফায়দা লাভ করতে চায়।

শতকরা ৯৯ ভাগ কন্সপিরেসি থিওরির সাথেই জড়িয়ে আছে কোনো না কোনো গুপ্ত সংগঠন।ইলুমিনাতি সদস্যদের গানের লিরিক্সে কন্সপিরিসি থিওরি, ভিডিও তে ব্যবহিত কন্সপেরিসি থিওরি ও ইলোমিনাতির বিভিন্ন সাইন যা তাদের গানের ভিডিওতে,লিরিক্সে ও অঙ্গবঙ্গিতে উঠে আসে।। তাদের গানের মধ্যে ব্যবহিত গ্রাফিক্সে ইলোমিনাতিকে প্রমোট করে। আর এগুলা দেখে আমাদের অবচেতন মনও এইসব সেলিব্রেটিদের সাপোর্ট দিতে থাকে । জলজ্যান্ত একটা উদাহরন দিচ্ছি আমরা যারা বাংলাদেশি রক লাভার, মেটাল হ্যাড আমরা কনসার্টে গেলে,প্রিয় শিল্পির সাথে দেখা হলে আঙ্গুল দিয়ে রক সাইন দেখায়া ছবি তুলি এটা আসলে শয়তানিক সাইন /ইলুমিনাতিক সাইন । বিদেশিদের ফলো করতে করতে এটা এখন আমাদের মাঝেই ছড়িয়ে গেছে আর আমাদের অসচেতন মন সেটাকে সাপোর্ট দিচ্ছে।
আমি জাস্ট কয়েকজন সেলিব্রেটির নাম দিলাম যারা ইলুমিনাতির সাথে জড়িত ।

রিয়ান্না

এমিনেম

লেডি গাগা

জাস্টিন বিবার

এরিনা গ্রান্ড

সেলিনা গোমেজ
এলেন ওর্যাকার

অনেক রক মেটাল ব্যান্ড ও এর সাথে জড়িত

নাম বলতে চাইনা গগুল করে জেনে নেন

এবার আসছি কেপপ ইন্ডস্ট্রির অন্ধকার দিক ও ইলুমিনাতি প্রসঙ্গে। আচ্ছা কেপপ ফ্যানরা উপর থেকে আইডলদের যেভাবে হাসিখুশি দেখে আসলেই কি তারা এতটা হাসিখুশি থাকে. ..? অকে উত্তর দেওয়া লাগবে না উত্তর নিজ থেকেই দিতে পারবেন লেট্স গো

কে-পপ বর্তমানে খুবই বড় একটি ইন্ডাষ্ট্রি এটা সবাই জানি। কোরিয়ায় বেশ কিছু এজেন্সি রয়েছে যারা কে-পপ আর্টিস্টদের ট্রেনিং এর মাধ্যমে গড়ে তোলে এবং তাদের একজন সফল আর্টিস্ট হয়ে উঠতে সাহায্য করে। তবে উল্লেখযোগ্য ভাবে তিনটি এজেন্সি রয়েছে। এত সকল এজেন্সীগুলোর মধ্যে S.M. Entertainment, YG Entertainment and JYP Entertainment হচ্ছে উল্লেখযোগ্য।

এজেন্সীগুলো অনেকের মধ্য থেকে আর্টিস্ট বাছাই করে, তাদের ট্রেনিং দেয়। ট্রেনিং এর জন্য আর্টিস্টদের খুব কম বয়সেই সিলেক্ট করে নেওয়া হয়। দেখতে সুন্দর হওয়া, নাচে-গানে পারদর্শী হওয়া, একের অধিক ভাষায় কথা বলতে পারা- এগুলো খুবী জরুরী ট্রেনিং এ সিলেক্ট হওয়ার জন্য। আর্টিস্টদের জন্য এজেন্সিগুলো বিভিন্ন অডিশনের ব্যবস্থা করে এবং অডিশনে নির্বাচিত হওয়ার পর এজেন্সি থেকেই তাদের জন্য ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করা হয়। ট্রেনিং এর মধ্যে নাচ, গান, র‍্যাপ সহ নানা ধরনের ভাষা শেখাও অন্তর্ভুক্ত থাকে।

একজন আর্টিস্টের ট্রেনিং এর নির্দিষ্ট কোন সময় নেই। অনেক আর্টিস্টদের ট্রেনিং এর অংশ হিসেবে প্লাস্টিক সার্জারিও করতে হয়। সুন্দর দেহের জন্য আর্টিস্টদের কঠিন ডায়েটের মধ্যে থাকতে হয়। একেক আইডলের ট্রেনিং এর সর্বনিম্ন ৩ মিলিয়নের বেশি টাকা খরচ হয়। প্রতিদিন ১২-১৪ ঘন্টা তাদেরকে ট্রেনিং করতে হয়। সর্বনিম্ন ৪-৫ বছর ট্রেনিং এ থাকতে হয়। অনেকের এর চেয়ে বেশি সময়ও লাগে। এত কষ্টের কারণে অনেকেই মাঝ পথে ট্রেনিং ছেড়ে চলে আসে।

কে-পপের ট্রেনিং নিয়েও নানা কথা উঠে সব সময়ই। আর্টিস্টদের নিয়ে অমানবিক ট্রেনিং করানো, ঠিক মত খাবার না দেওয়া,মেয়দের হ্যারেজমেন্ট করা, প্লাস্টিক সার্জারি করানো সহ আরো নানা কিছু। BBC-তে এই ট্রেনিংকে দাস চুক্তির সাথে তুলনা করেছে। এতো মাত্র গেলো প্রাইমারি লেবেল এবার আসবে আসবে আসল তকমা।

যখন একটা দল জনপ্রিয়তা পায় তখন ঐ দলের সাথে এজেন্সিগুলোর চুক্তি হয় ৯ থেকে ১৭ বছর।

এজেন্সিগুলোর কথা মতোই আর্টিস্টদের চলতে হয়। বলা হয় এজিন্সগুলো সাররাবছর তাদের ব্যাস্ত রাখে খাওয়ার জন্য সময় দেয় নানা।ঘুমানোর জন্য ৩ থেকে ৪ ঘন্টা সময় দেয়। বছরজুড়ে কনসার্টের ব্যবস্থা করে রাখে আর কনসার্টে নতুন নতুন তকমা দেখানোর জন্য সারাদিন ব্যাস্ত থাকতে হয় তাদের। সহজে বললে অনেকটা দাস চুক্তির মত।
২০১৮ সালের ডিসেম্বর ১৮ তারিখে সাইন ( Shinee) ব্যান্ডের লিড ভোকাল Kim Jong-hyun আত্বহত্য করে। কেপপ ইন্ড্রস্ট্রিতে সে অনেক জনপ্রিয়ও ছিলো সুইসাড নোটে কেপপ ইন্ডাস্ট্রিতে অমানুষিক নির্যাতন,হ্যারেজমেন্ট নানান বিষয়ে বলে গেছেন .। এই লিংকে যেয়ে দেখতে পারেন! !
https://www.google.com/amp/s/qz.com/quartzy/1160361/suicide-of-shinees-jonghyun-prompts-korea-to-confront-grueling-kpop-industry-and-effect-on-mental-health-kim-jong-hyun/amp/
এতো মাত্র শুরু আরো বহুত অভিযোগ আছে।

JJCC Prince Mak

সে হলো অস্ট্রেলিয়ান একজন চাইনিজ সেলিব্রেটি। The Prince Mak Hour একটা অনুষ্ঠানে সে কে পপ ইন্ডাস্ট্রির অন্ধকার দিক ; ট্রেনিংয়ে অমানবিক আচরন, মেয়েদের হ্যারেজমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে বলেন প্রিন্স ম্যাক আরো বলেন শিল্পিদের চেহারা এবং ওজন সাপ্তাহিক পরীক্ষা করে নিরীক্ষা করা হয়। কারো ওজন যদি একটু বেড়ে যায় তাহলে তাদের খাবার দেওয়া হয় না কিছুকিছু সময় শাস্তি ও দেওয়া হয়।
শিল্পিদের দিয়ে কোম্পানির আয়ের ব্যাপার ও তুলে ধরেন ম্যাক। জনপ্রিয়তা পাবার পর একটি দল যত মিলিওন ডলার আয় করে তার ৮০–৯০ % টাকা এজেন্টরা রেখে দেয়। আরেকটু বলে রাখা ভালো ২০১৭ সালের প্রথম অর্ধবছরের হিসাব অনুযায়ী কে-পপের আয় হচ্ছে ৩২৬,০০০,০০০ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় ২৭,৫৮৪,১৮০,৩০০ টাকা।
বিটিএস হলো কেপপ জগদের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল তাদের বিরুদ্বেও মেন্টালি প্রেসারের অভিযোগ আসছে ।

অনেকেই হয়তো ভাববে আমি প্রথমে শুরু করলাম ইলুমিনাতি নিয়া এখন বলতাছি কে পপের কাহিনী।কাহিনী বলার একটাই কারন ইন্ডাস্ট্রি বা এজেন্ট যেভাবে তাদের নাচায় তারা সেভাবে চলতে বাধ্য। সব ফ্যানরাই তাদের আইডলদের বেশিই ভালোবাসে। কেউ যেনো আইডলের দোষ দিতে না পারে বা ভালোবাসা কমে যায় সেটা আমি চাইনি কখনো সেজন্যই উপরের কাহিনীগুলো বললাম।

আমি আগের পয়েন্টে চলে আসি পুরা কে পপ ইন্ডাস্ট্রি ইলোমিনাতি সদস্য ।রেগে যাবেন না!! বুঝিয়ে বলছি ।
আপনাদের উপরে একবার জানিয়ে আসছি যে ; ইলোমিনাতি সংঘঠনের  সবচেয়ে বড় আয় হলো, তারা যেই সেলিব্রেটি,পলিটেশিয়ান,বিজনেসমেন দের তৈরি করে, তারা প্রতি মাসে বিশাল অংকের একটা ফান্ড দেয় এই রথচাইল্ড ফেমিলিকে/ ইলোমিনাতি সংঘঠনকে “One world order” এর জন্য। আমি অবশ্যই এটা প্রমান করতে যাচ্ছি না যে ; বিটিএস কে তৈরি করছে ইলুমিনাতি ।আমি বলতে চাই যে কোরিয়ার এজেন্টগুলো ইলুমিনাতির সদস্য হওয়া অবাক কিছু না! !

আচ্ছা আমরা জানি মাইকেল জ্যাকশনের মৃত্য নিয়ে নানান রহস্য, আলোচনা সমালোচনা রয়েছে।ওর মৃত্য নিয়া কিছু বলতে চাইনা । জ্যাকশন যে ইলুমিনাতির সদস্য ছিল ছোট থেকেই সেটা সবাই জানি। জ্যাকশন যে রেকোর্ড কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল সেটা হলো সনি মিউজিক। ২০০১ সালে জ্যাকশন একটা কনসার্টে সনি মিউজিক নিয়ে ১০ মিনিটের অভিযোগ তুলে। চাইলে এখানে যেয়ে দেখতে পারেন
গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা তুলে ধরলাম;  একজন আর্টিস্ট হিসাবে সনি কোম্পানিকে আমি বিলিওন বিলিওন ডলার এনে দিয়েছি ।তারা ভেবেছিল আমি তাদের ব্যাপারে ভাববো না তাদের কাজকর্মে নজর রাখবো না ।আমি দেবোনা তাদেরকে করতে যা তারা চাইছে। আর আমি এখন তাদের থেকে মুক্ত , আই এম লিভিং এজেন্ট,আই এম এ ফ্রি এজেন্ট। টমি মাটলা ( সনির মালিক ) সে একটা শয়তান ।
কথাগুলাতে কি বুঝা যাচ্ছে …!!!

বর্তমানে কেপপের ওয়ার্ল্ড কাপানো সবচেয়ে জনপ্রিয় দল হলো বিটিএস।বিটিএস ২০১৭ সালের নভেম্বরে
কলম্বিয়া রেকোর্ডস কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। এটা হলো আমেরিকান রেকোর্ড লেবেল যার মালিক হচ্ছে সনি মিউজিক । সনি মিউজিকের মালিক ঘোর ইলুমিনাতির সদস্য । আর কলম্বিয়া রেকোর্ড কম্পানিতে যে সব আর্টিস্ট চুক্তিবদ্ধ ছিল তার ৭০ % আর্টিস্ট ছিল ইলুমিনাতির সদস্য এবং সারাবিশ্বে গানের মাধ্যমে,লাইভ কনসার্টে তারা ইলুমিনাতিকে প্রচার করে । অনেকে নিজ ইচ্ছায় সদস্য হয়েছে আবার অনেক আর্টিস্টকে চাপ প্রয়োগ করে সদস্য বানিয়েছে।

বিটিএস ইলোমিনাতির সাথে জড়িত সেটার প্রমান দিবো সাথে বিটিএসের ভিডিওতে যেসব কন্সপেরিসি থিওরি দেওয়া হয় সেগুলো সম্পর্কে ধারনা দিবো।
তার আগে আমাদের ইলোমিনাতির বিভিন্ন সাইন সম্পর্কে ধারনা পেতে হবে।। তারপ বুঝতে সুবিধা হবে ।

ইলুমিনাতি এবং দাজ্জাল


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •