খুমের রাজা: নায়াগ্রা নাফাখুম জলপ্রপাত

খুমের রাজা: নায়াগ্রা নাফাখুম জলপ্রপাত

নাফাখুম জলপ্রপাত

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

দেখে এলাম নাফাখুম জলপ্রপাত


লিখেছেন হাদিরাতুল জান্নাত তালুকদার

যে ঝিরি পথ পায়ে হেটে পার হওয়া যায় শুনেছি, সেই ঝিরি পথ নদী হয়ে ওঠায় আশ্চর্য হলাম খুব। পায়ে হেঁটে নয় আমরা ট্রলারে সেই ঝিরিপথ ধরে এগিয়ে চললাম। মজাই লাগছিল, জীবনে প্রথম আমার এমন অভিজ্ঞতা, পাহাড়েই এসেছি এই প্রথম। আমাকে গাইড করবে বলে যার আগমন আহারে বেচারা, আমারই তাকে গাইড করতে হচ্ছে। ফেরার পথে তার সেকি এক চিৎপটাং অবস্থা। তবে ভয় যে পাইনি বলা যাবে না। ট্রলারে যাত্রা শেষ হতেই শুরু হলো ট্রেকিং। ঝিরির পানিতে পা দেয়া মাত্রই পা দুটো শিরশির করে উঠলে। একটু ফসকালে পানিতে  ধপাস জেনে হাতে বাঁশের কঞ্চি তুলে নিলাম। ওহহাে, আমি কিন্তু সাঁতারজানি না। মনে মনে বলি বাপু সাবধান পা ফসকালে নির্ঘাত ডুবে মরবে। এভাবেই নানান ভাবনা চিন্তায় হাঁটতে হাঁটতে চলে এলাম যেখানে তাকে আমার পুলসিরাত বলেই মনে হল, ঝিরির এপার ওপার দড়ি বাঁধা।

দড়ির সামনে পেছনে তাকালেই দেখা মেলে তুষার স্রোতের ঘূর্ণি ভেদ করে । সেই দড়ি ধরে সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে এগিয়ে চললাম। রশিতে হাত লাগানাে আর এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করি অত আর ভয় করছে না! প্রশ্ন করতেই পারেন কই যাচ্ছি। যাচ্ছি নাফাখুম, এসেছি গতরাতে। সারাপথ খুব ভালােয় ভালােয় এগিয়ে বৃষ্টিতে পড়লাম থানচি এসে। তবু পাহাড় আর জলপ্রপাতের টান বলে কথা। আমার সারাটাদিন মেঘলা আকাশ বৃষ্টি তোমাকে দিলাম বলে ট্রলারে চাপলাম। মনে মনে বললাম ভয়ের কিছু নাই, মরতে তাে হবেই, সে রাতে আমরা রেমাক্রি ছিলাম। পরদিনও বৃষ্টি কমার নাম নিলাে না। শেষমেষ বৃষ্টিকে সখা করেই নাফাখুমের পথ ধরলাম।

নাফাখুম খাল

দড়ি বেঁধে খাল পার হওয়া।

জোঁককে আমি ভয় পাই খুব, সে জন্যই মনে হয় জোক আমার ধারে কাছেই ছিলাে না। তবে আমাদের দলের দুজনকে জোক কামড়ে ধরেছিল। আমি কখনােই অতিসতর্ক ছিলাম না। ট্রলার থেকে নেমেই নির্ভাবনায় এগিয়ে চলছিলাম। কর্দমাক্ত গভীর জঙ্গল এর মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছিলাম বাঁশের কঞ্চি গেঁথে গেঁথে। কখনও কখনও গাছের ডালপালা জড়িয়ে ধরে চড়াই পার হচ্ছিলাম। এভাবেই ঘন্টা দেড়েক ক্লান্তিকর পথ চলার পর সেই পুলসিরাত মনে করা দড়ি বা রশির সামনে এসে কিছু সময়ের জন্য ভীষন চিন্তায় পড়ে যাই। অবশেষে সাহস করে সেই দড়িও পার হয়ে যাই।

এভাবেই আরো ঘন্টাখানেক চলার পর তীব্র গর্জন কানে আসে। বৃষ্টি হচ্ছে তখনাে সুতরাং দৌড়ে ছুটে যাবার উপায় ছিলাে না। কেননা ক্রমাগত একটানা ক্লান্তিকর চড়াই ভেঙ্গে, কখনো পাথরের উপর আবার কখনাে কর্দমাক্ত পিচ্ছিল পথ ধরে দৌড়ে ছুটে চলা আমাদের জন্য দূরহ ছিলাে বটে। তবু আমরা দ্রম্নত পা চালাই। এভাবেই এক সময় নজরে আসে নাফাখুম জলপ্রপাতের জলধারা। আরাে কিছু পথ যেতে চোখ আর সরতে চাচ্ছিলো না। সবাই জলপ্রপাতের গর্জনে দিশেহারা হই, আবার সতর্কতাও ছিলাে। কেননা অঝাের না হলেও বৃষ্টি তখনাে ছিলাে। আর পিঞ্ছিল পাথরের ওপর দিয়ে দৌড়ে ছুটাও সম্ভব ছিলাে না। তবু আমরা দ্রুত এগিয়ে যাই, তারপর তাে ফেরার কথাই ভুলে যাই ভুলে যাই বৃষ্টির পানিতে মােবাইল বা ক্যামেরা ভিজে ওঠার কথা। এসব কিছু ভুলে ছবি তুলে চলি একটানা সঙ্গে নাফাখুমের জলধারা দেখি মুগ্ধ নয়নে। এদিকে বৃষ্টির বেগ বাড়ছিল সঙ্গে রেমাক্রি ঝিরির পানিও ফুলে ফেঁপে উঠছিল। গাইডের তাড়া খেয়ে নাফাখুম কে বিদায় বলে ফিরতি পথ ধরি

নাফাখুম ঝর্ণা হাদিরাতুল জান্নাত

বর্ষার নাফাখুম ঝর্ণা।

কিভাবে যাবেন নাফাখুম জলপ্রপাত


নাফাখুম যেতে হলে প্রথমে বান্দরবান যেতে হবে। ঢাকা থেকে এসি, নন এসি সব ধরণের বাসই বান্দরবান যায়। নন এসির মধ্যে শ্যামলী, সৌদিয়া, ইউনিক, ডলফিন, সেন্টমার্টিন, এস আলম ইত্যাদি পরিবহনের বাস পাবেন। ভাড়া ৫৮০ থেকে ৬২০ টাকা। এসি বাসের ভাড়া ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।

এছাড়া চট্টগ্রাম থেকে যেতে হলে প্রথমে বহদ্দারহাট যেতে হবে। ওখান থেকে ৩০ মিনিট পরপর ‘পূর্বাণী’ ও ‘পূরবী’ নামে দুটি পরিবহনের বাস ছাড়ে। ভাড়া ২২০ টাকা।

বান্দরবান থেকে থানচি


বান্দরবান পৌছানোর পর আপনাকে যেতে হবে ৮২ কিঃমিঃ দূরের উপজেলা থানচিতে। বাসে অথবা রিজার্ভ জিপে দুইভাবে থানচি যাওয়া যায়। জিপে গেলে ভাড়া পড়বে ৫৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা। আসা যাওয়া ১২০০০ টাকা। এক জিপে ১২/১৩ জন বসা যায়। জিপে সময় লাগে সাড়ে ৩ ঘন্টা।

বাসে না যেতে চাইলে থানচি বাস স্ট্যান্ড থেকে লোকাল বাস পাবেন। ভাড়া ২০০ টাকা। এক ঘন্টা পরপর বাস ছাড়ে। লাস্ট বাস দুপুর ১টা থেকে ২টার মধ্যে ছেড়ে যায়। বাসে যেতে সময় লাগবে সাড়ে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা। যাত্রাপথে পড়বে মিলনছড়ি, চিম্বুক পাহাড় ও নীলগিরি।

থানচি থেকে রেমাক্রি


থানচি পৌছানোর পর আপনার প্রথম কাজ হবে গাইড ঠিক করা। গাইড সমিতির অফিস আছে, আপনি যে কাউকে বললেই দেখিয়ে দিবে। সমিতির অফিস ফি ১০০ টাকা, এবং গাইড ফি ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা।

এরপর সাদাকাগজে আপনার টিমের সব টুরিষ্টদের নাম, ঠিকানা, পিতার নাম, ফোন নাম্বার, মাঝির নাম, গাইডের নামও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি ইত্যাদি জমা দিয়ে নাফাখুম জলপ্রপাত যাওয়ার অনুমতি নিতে হবে। আপনার হয়ে গাইডই কাজগুলো করে দিবে।

রেমাক্রি যেহেতু নৌপথে যেতে হবে, তাই আপনাকে নৌকা নিতে হবে। আপডাউন নৌকা ভাড়া পড়বে ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। এক নৌকায় ৪ থেকে ৫ জন বসা যায়। থানচি থেকে রেমাক্রি পর্যন্ত যেতে নোকায় সময় লাগবে ২.৫ থেকে ৩ ঘন্টার মতো। শুকনো মৌসুমে সাঙ্গু ( শঙ্খ ) নদীতে পানি কম থাকে বলে কয়েক জায়য়ায় আপনাকে নৌকা থেকে নামতে হতে পারে। যাত্রাপথে সাঙ্গু নদীর অপার সৌন্দর্য আপনাকে বিমোহিত করবে। যাওয়ার পথেই পরবে পদ্মমুখ ঝিরি, ভূ-স্বর্গ খ্যাত তিন্দু, রাজাপাথর বড়পাথর এলাকা ও রেমাক্রি ফলস।

একটা বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে দুপুর ৩ টার পর ঘাট থেকে কোনো নৌকা রেমাক্রির উদ্দেশ্যে ছাড়ার পারমিশন পাওয়া যাবেনা। অর্থাৎ আপনাকে দিনে দিনে রেমাক্রি পৌঁছাতে চাইলে দুপুর ২টার মধ্যে থানচি থাকতে হবে। অন্যথায় ট্যুর শেষ করতে ১ দিন বেশি সময় লাগবে।

রেমাক্রি থেকে নাফাখুম জলপ্রপাত


বান্দরবান থেকে সকালে রওনা দিলে রেমাক্রী পৌঁছাতে বিকাল হয়ে যায়। ঐদিন আর নাফাখুম জলপ্রপাত যাওয়া যায়না। সবাই সাধারণত পরদিন ভোরে নাফাখুমের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। রেমাক্রি থেকে নাফাখুম হেঁটে যেতে ২ থেকে ৩ ঘন্টা লাগে। কত সময় লাগবে তা মূলত নির্ভর করে আপনার টিমে যিনি সবচেয়ে আস্তে হাঁটেন তার হাঁটার গতির উপর।

বর্ষায় রেমাক্রী খালের পানি বেশি থাকে। এমনকি কোথাও কোমর সমান বা তার বেশি পানি থাকতে পারে। এসব জায়গায় পার হতে আপনার গাইডই আপনাকে সহায়তা করবে। আপনি চারপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতেই একসময় নাফাখুমের গর্জন শুনতে পাবেন!

নাফাখুম ভ্রমনে রাতে কোথায় থাকবেন


থানচিতে থাকার জন্য একটি সরকারী রেষ্ট হাউজ আছে। রুম ভাড়া ১৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা। কিন্তু থানচিতে রাতে না থাকাটাই উত্তম, অযথা টাকা ও সময় নষ্ট। সময় বাঁচাতে চাইলে রেমাক্রিতে থাকাই ভালো। এখানে আদিবাসীদের ঘর ও তাদের ছোট কটেজ আছে। জনপ্রতি থাকার খরচ পড়বে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

খাবেন কোথায়


থানচি বাজারে মোটামোটি মানের কয়েকটা হোটেল আছে। এর যে কোনোটাতে খেতে পারেন। আর রেমাক্রিতে খাওয়ার ব্যাবস্থা হয় আদিবাসীদের বাড়িতে/ দোকানে। খেতে চাইলে আগে থেকে বলে রাখতে হবে। খাবার সাধারণত প্যাকেজ সিস্টেমে বিক্রি করে। প্রতিবেলা খাবার খরচ পড়বে ১২০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে।

নাফাখুম ট্যুর প্ল্যান কিভাবে সাজাবেন


যেখান থেকেই রওনা করেন সকাল বেলাতেই বান্দরবান থাকার চেষ্টা করবেন। এরপর সময় নষ্ট না করে বাস অথবা জিপে থানচিতে চলে যান। থানচিতে আপনার প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নৌকায় রেমাক্রিতে চলে আসুন বিকেলের মধ্যে। রাতটা রেমাক্রিতে কাটিয়ে দিন। পরদিন সকালে রেমক্রি থেকে নাফাখুম জলপ্রপাত এর উদ্দেশ্যে রওনা করলে দুপুরের মধ্যে ঘুরে আসতে পারবেন। এরপর সময় নষ্ট না করে নৌকায় করে আবার থানচির উদ্দেশ্যে রওনা করুন। তারপর বাসে অথবা জিপে সন্ধ্যার মধ্যে বান্দরবান শহরে ফিরে আসুন। এদিন রাতে চাইলে বান্দরবান থাকতে পারেন, অথবা রাতের বাসে ঢাকা বা আপনার গন্তব্যে ফিরতে পারবেন।

নাফাখুম জলপ্রপাত ভ্রমণের সময়


সারা বছরই নাফাখুমে পর্যাপ্ত পানি থাকে। তাই এডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষজন বছরজুড়ে ছুটে যায় নাফাখুম ভ্রমণ এর উদ্দেশ্যে। বর্ষায় বেশিরভাগ সময় নাফাখুমের পানি বিপদসীমার বেশি থাকে বলে এই সময় নাফাখুম ভ্রমণের অনুমতি দেয়না স্থানীয় প্রশাসন। আবার শীতের শেষ থেকে গ্রীষ্মের শুরু পর্যন্ত (January to April) পানি অনেক কম থাকে বলে অনেকে এই সময়টায় যেতে পছন্দ করেন না। মোটের উপর বলা যায় বর্ষার শেষ থেকে শীতের শুরু পর্যন্ত নাফাখুম ভ্রমণের সবচেয়ে সেরা সময়। অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে যে মৌসুমেই যাননা কেন- নাফাখুম ভ্রমন আপনার জীবনে উল্লেখযোগ্য স্মৃতি হিসেবে থেকে যাবে আজীবন।

কম খরচে নাফাখুম ভ্রমণ


নাফাখুম ভ্রমণ খরচ মূলত বেশি হয় যাতায়ত খরচের কারণে। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে আপনি খরচ কমাতে পারবেন। যেহেতু এক জিপে সর্বোচ্চ ১৩ জন বসতে পারে, এবং এক নৌকাতে গাইড সহ ৫ জন বসতে পারে, তাই খরচ কমাতে চাইলে টিমের সদস্যসংখ্যর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাৎ আপনার টিমের সদস্য সংখ্যা হতে হবে ৪, ৯ বা ১৩ জন।

উল্লেখযোগ্য খরচ সমূহ


ঢাকা থেকে বাস ভাড়া ৬২০ X ২ = ১২০০ (জনপ্রতি)
খাবার খরচ প্রতিবেলা গড়ে ১৫০ টাকা (জনপ্রতি)
বান্দবান থেকে থানচি আসা যাওয়া বাস ভাড়া ২০০ X ২ = ৪০০ টাকা
জিপে গেলে আসা যাওয়া ১২০০০ টাকা (টিমের সবার মধ্যে ভাগ হবে।)
নাফাখুম ভ্রমনে গাইড ফি ৩০০০ টাকা (টিমের সবার মধ্যে ভাগ হবে।)
নৌকা ভাড়া ৪৫০০ টাকা (এক নৌকায় গাইড সহ সর্বোচ্চ ৫ জনের পারমিশন। )
নাফাখুমে থাকার খরচ ১৫০ টাকা। (জনপ্রতি)

নাফাখুম ভ্রমণ টিপস এবং সতর্কতা


⦿নাফাখুম জলপ্রপাত ভ্রমণে জাতীয় পরিচয় সাথে রাখুন।
⦿খরচ কমাতে চাইলে দলগতভাবে ভ্রমণ করুন।
⦿ট্রেকিং এর জন্য প্লাস্টিক অথবা রাবারের স্যন্ডেল ব্যবহার করুন।
⦿পানির বোতল, শুকনো খাবার, টর্চ লাইট, স্যাভলন, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং ফার্স্ট এইড সাথে রাখুন।
⦿বর্ষায় নাফাখুম জলপ্রপাত গেলে রেমাক্রি খাল পার হওয়ার জন্য দড়ি লাগবে। নিজেরা নিলে ভালো, অন্যথায় গাইডের কাছেও পাওয়া যাবে।
⦿ বর্ষায় লাইফ জ্যাকেট মাস্ট লাগবে।
⦿থানচির পর বিদ্যুত ও মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। ডিভাইস চার্জ দেওয়ার জন্য পাওয়ার ব্যাংক সাথে রাখুন।
⦿থানচির পর পান করার জন্য ঝিরির পানিই একমাত্র উৎস।
⦿একা একা কোথাও যাবেন না, পাহাড়ে পথ হারালে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। দলবদ্ধ ভাবে থাকুন।
⦿সময়ের দিকে খেয়াল রাখুন। পাশেরজনকে সহায়তা করুন।
⦿নাফাখুম জলপ্রপাত অনেক গভীর এবং নিচে বড়বড় পাথর ছড়ানো ছিটানো আছে। কোনোভাবেই উপর থেকে জলপ্রপাতে লাফ দিবেন না।
⦿পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কাজ থেকে বিরত থাকুন। প্লাস্টিক সহ কোনোপ্রকার অপচনশীল বস্তু পাহাড় ঝর্না ঝিরিতে ফেলবেন না।

নাফাখুম জলপ্রপাত ভ্রমণে দেখতে আরো পাবেন


চিম্বুক, নীলগিরি, সাঙ্গু নদী, থানচি, তিন্দু, রাজাপাথর বা বড়পাথর, পদ্মমুখ ঝিরি, রেমাক্রি পাড়া ও রেমাক্রি ফলস। আশেপাশে বান্দরবানের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বগালেক, অমিয়খুম, কেওক্রাডং, স্বর্ণমন্দির দেবতাকুম, নীলাচল ইত্যাদি।

 

Nafakhum1

নাফাখুম জলপ্রপাত

15541591 1797344350519715 178996800479921336 n

nafakum

খুমের রাজা: নায়াগ্রা নাফাখুম জলপ্রপাত


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •