দ্বীনের নসীহত

ইসলামী আলোয় আলোকিত হোক জীবন

ভারতে লকডাউনের নাম করে পুলিশ দিয়ে বন্ধ করা হচ্ছে মসজিদের আজান

IMG 26042020 212648 800 x 450 pixel 1
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ভারতে উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের পুলিশ সেখানে অনেকগুলো জেলায় মসজিদে আজান বন্ধ করার নির্দেশ দেয়ার পর মুসলিম সমাজের নেতা ও অ্যাক্টিভিস্টরা সেটার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এর জেরে রমজান মাসের শুরুতেই ভারতের সোশ্যাল মিডিয়াতে এখন অন্যতম টপ ট্রেন্ডিং হয়ে উঠেছে হ্যাশট্যাগ ‘আজান বন্ধ নেহি হোগা’ – অর্থাৎ আজান কিছুতেই বন্ধ হবে না।

এর দুদিন আগে দিল্লিতেও কোনো কোনো এলাকায় পুলিশ আজান বন্ধ করার মৌখিক নির্দেশ দিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখে তা প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে।

ভারতে রমজান মাস শুরু হওয়ার ঠিক আগের দিন বিকেলে উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে একটি মুসলিম-অধ্যুষিত এলাকায় গিয়ে পুলিশ কর্মীরা জানায়, এখন থেকে মসজিদে লাউডস্পিকারে আজান দেয়াও বন্ধ রাখতে হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা তাতে তুমুল আপত্তি জানান, কিন্তু পুলিশ কর্মীরাও ছিলেন নাছোড়বান্দা। সেই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়লে দেখা যায়, মুসলিম মহিলারা পুলিশকর্মীদের বলছেন,‘রমজান মাসে ঠিকমতো আজান না-হলে আমরা রোজা রাখবো কীভাবে আর ইফতার করবো কীভাবে?’

‘আর আজান দেয়া হলে লকডাউনের কোন্ নিয়মই বা ভাঙা হবে?’ ওই পুলিশকর্মীরা অবশ্য বারবারই বলতে থাকেন – এটা দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশ, চাইলে তারা থানায় গিয়ে নির্দেশের প্রতিলিপি দেখে আসতে পারেন।

এই ভিডিও নিয়ে তুমুল হইচই শুরু হলে দিল্লি সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ শিশোদিয়া জানিয়ে দেন, শহরের কোনো মসজিদেই আজান বন্ধ হবে না। কিন্তু এর মধ্যেই নতুন করে অভিযোগ উঠেছে, রমজান মাস শুরু হতে না-হতেই উত্তরপ্রদেশে কনৌজ, ফারুকাবাদ, এটাওয়া, গাজীপুর-সহ বিভিন্ন জেলায় পুলিশ জোর করে মসজিদে আজান বন্ধ করে দিচ্ছে।

জওহরলাল নেহেরু ইউনিভার্সিটির (জেএনইউ) ছাত্র নেত্রী ও এলাহাবাদের মেয়ে আফরিন ফাতিমা এখন ওই রাজ্যেই ত্রাণের কাজে ব্যস্ত। তিনি বলছিলেন,‘পুলিশ এই জেলাগুলোতে গিয়ে মসজিদের লাউডস্পিকার বন্ধ করে দিচ্ছে – যাতে দিনের কোনো সময়ই আজান দেয়া না-যায়।

আমরা তো সবাই মিলেই মহামারির বিরুদ্ধে লড়ছি, মসজিদে একসঙ্গে পাঁচজনের বেশি কখনও জড়োও হচ্ছে না। আর যেখানে আজান দিতে একজন মুয়াজ্জিনই যথেষ্ট– তখন এটা বোধগম্য নয় যে আজান দিলে কীভাবে লকডাউন ভাঙা হয়?’

‘ফলে আমরা মনে করছি এটা মুসলিমদের ওপর দমন-পীড়ন চালানোরই আর একটা রাস্তা!’ এর জেরেই আজ রোববার সকালে ভারতে টুইটারে প্রধান ট্রেন্ডিং ইস্যু ছিল হ্যাশট্যাগ- ‘আজান বন্ধ নেহি হোগা’। এটি ব্যবহার করে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেছেন বিহারের রাজনীতিবিদ আখতারুল ইমান, সমাজকর্মী শার্জিল উসমানি বা শামিল আতিফের মতো অনেকেই।

আফরিন ফাতিমা আরো বলছিলেন,‘উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ প্রথমে নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভ দমনের নামে মুসলিমদের ওপর অত‍্যাচার শুরু করে। তারপর তাবলিগ জামাতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে এবং এখন আজান বন্ধ করে তারা আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকারই কেড়ে নিতে চাইছে – যা সংবিধান প্রদত্ত। আর সে কারণেই এই ইস্যুটা সোশ্যাল মিডিয়াতে ট্রেন্ড করছে।’

এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও আজ তার নিয়মিত রেডিও ভাষণে ভারতের মুসলিমদের উদ্দেশে বলেন, এবারের রোজার মাসে তাদের অনেক বেশি কষ্ট করতে হবে – যদিও আজানের কথা তিনি উল্লেখ করেননি। তিনি বলেন,‘গত রমজানের সময় ভাবাও যায়নি এবারের রমজানে এত অসুবিধার সম্মুখীন হতে হবে।’

তবে যেভাবে মহামারিতে ‘অন্য ধর্মের মানুষরাও ঘরে বসেই তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন’ – মুসলিমদেরও সেই একই কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে, বছর কয়েক আগে ভারতে বলিউড গায়ক সোনু নিগমও লাউডস্পিকারে আজান দেয়ার রেওয়াজ বন্ধ করার ডাক দিয়ে প্রবল বিতর্কর সৃষ্টি করেছিলেন। সুত্র: বিবিসি

দৈনিক ২৫ হাজার মুসলমানকে ইফতার করানোর দায়িত্ব নিয়েছেন বলিউড অভিনেতা

প্রতিদিন ২৫ হাজার মুসলিম অভিবাসীকে ইফতার করানোর দায়িত্ব নিয়েছেন বলিউড অভিনেতা ও মুম্বাইয়ের হোটেল ব্যবসায়ী সোনু সুদ। একই সাথে রমজানের প্রথম দিন থেকেই মুম্বাইয়ে কর্মরত মুসলমানদের রোজা রাখার জন্যও খাদ্য সহায়তা দেবেন তিনি।

ইন্ডিয়া টিভির অনলাইন সংস্করণের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পবিত্র রমজানে মুম্বাইয়ে প্রতিদিন ২৫ হাজার মুসলিম অভিবাসীকে খাওয়ানোর দায়িত্ব নিয়েছেন সোনু সুদ, যা শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে। সোনু বলেন, ‘এখন বড় দুঃসময়। একে অন্যের পাশে দাঁড়ানো এ সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আমি সেসব মানুষকে সহায়তা করব, যাঁরা রোজা রাখছেন এবং আমরা তাঁদের কাছে খাবার পৌঁছে দেব। সারা দিন রোজা রাখার পর তাঁরা অভুক্ত থাকবেন না।’ এর আগে প্রতিদিন ৪৫ হাজার দরিদ্র মানুষের খাবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন সোনু সুদ।

তারও আগে নিজের হোটেলে স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলেন এই অভিনেতা। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, ভারতের মুম্বাইয়ের আন্ধেরি, যোগেশ্বরী, জুহু ও বান্দ্রার ৪৫ হাজার মানুষকে প্রতিদিন খাবার দিচ্ছেন সোনু।

ভারতীয় দৈনিক মিড ডে-র বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়। আর এ কাজে তিনি একত্র হয়েছেন ব্রিহানমুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের (বিএমসি) সঙ্গে। “এই কঠিন সময়ে খাদ্য ও নিরাপত্তা থাকায় আমরা কেউ কেউ ভাগ্যবান, কিন্তু অনেকেই আছেন যাঁদের দিনে খাবার জোটে না।

তাঁদের সাহায্যার্থে আমার বাবার নামানুসারে ‘শক্তি আনন্দধাম’ নামে খাদ্য ও রেশনের একটি প্রকল্প শুরু করেছি। আশা করি, যত মানুষকে সম্ভব, আমি সাহায্য করতে পারব,’’ বলেন সোনু। মুম্বাইয়ে নিজের হোটেলে করোনা নিয়ে কাজ করা চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিকেল স্টাফদের থাকার ব্যবস্থা করে দেন সোনু সুদ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মানবসেবার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ভারতীয় এই অভিনেতা। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে চলমান লকডাউনে অনেক শ্রমজীবী, দুস্থ মানুষ অন্নসংস্থান নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন।

এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। দূরদূরান্ত থেকে অনেক মানুষ মুম্বাইয়ে কাজের খোঁজে যান। এখন কাজ বন্ধ। কিন্তু সারা দিন রোজা রেখে সন্ধ্যায় ইফতার করবেন কীভাবে, সে চিন্তায় তাঁদের কপালে ভাঁজ।

নিজে ইফতার বানিয়ে রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করলেন হিন্দু তরুণী তিলোত্তমা

নিজে ইফতার বানিয়ে রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করেন হিন্দু তরুণীছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করছেন তিলোত্তমা
তিলোত্তমা শিকদার অনেকেরই পরিচিত মুখ। বিশেষ করে ছাত্রলীগের সবাই তাকে চেনেন। তিনি ডাকসুর সদস্যও। ছাত্রলীগের রাজনীতি করার পাশাপাশি ডাকসুর নেত্রী হওয়ায় বিভিন্ন সময় আলোচনায় ছিলেন তিনি।

এবারের রমজান মাসে অন্যরকম এক মানবিক উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী তিলোত্তমা শিকদার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফিয়া কামাল হলের ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তিলোত্তমা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীদের উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক। থাকেন কবি সুফিয়া কামাল হলে

করোনাভাইরাস ঠেকাতে লকডাউন ঘোষণার ৩-৪ দিন আগে চলে যান নিজ শহর বরিশালে। ভাবতে পারেননি এতদিন লকডাউন থাকবে; তাই চাইলেও এখন ঢাকায় আসতে পারছেন না তিনি

এরই মধ্যে গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে রমজান মাস। লকডাউনে নিম্নআয়ের অনেক মানুষ সেহরি না খেয়েই রোজা রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। অনিশ্চিত তাদের ইফতারের আয়োজন। এসব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন ডাকসুর সদস্য ছাত্রলীগ নেত্রী তিলোত্তমা শিকদার।

প্রথম রমজান থেকে নিজের বাসায় রান্না শুরু করেছেন ইফতার। বাসায় তৈরি করা ইফতার নিয়ে ছুটছেন বরিশাল শহরের বিভিন্ন এলাকায়। প্রথম রমজান থেকে শুরু করা এই ইফতার আয়োজন চলবে শেষ রমজান পর্যন্ত। সনাতন ধর্মাবলম্বী একটি মেয়ের এমন মানবিক উদ্যোগ যেন সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।

শুধু তাই নয়; লকডাউনের কারণে বিপদে পড়া ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিলোত্তমা শিকদার। ঢাবির ছাত্রদের মধ্যে যারা লকডাউনের কারণে টিউশনি বা বিকল্প আয়ের পথ হারিয়ে বিপদে পড়েছেন তাদের নাম সংগ্রহ করে সহযোগিতা করছেন তিলোত্তমা।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিকাশে টাকা পাঠাচ্ছেন তিনি। নিজ হল এবং আশপাশে যারা বিভিন্ন বাসায় আটকা পড়েছেন; তাদের জন্য ১০ কেজি চাল, দুই কেজি ডাল, দুই লিটার তেল ও আটা উপহার হিসেবে পাঠাচ্ছেন তিলোত্তমা। ফোনে এবং বিকাশে টাকা পাঠিয়ে এসব উপহার সামগ্রী কিনে তা পাঠিয়ে দিচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীদের বাসায়।

ইতোমধ্যে ২১ জন ছাত্রী এবং ১১ জন ছাত্রকে দুই হাজার টাকা করে বিকাশে পাঠিয়েছেন তিনি; যেন তারা করোনাভাইরাসের সংকটে মনোবল না হারায়।

এসব বিষয়ে জাগো নিউজের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তিলোত্তমা শিকদার।

তিলোত্তমা বলেন, ভেবেছিলাম ঢাকায় ফিরব। কিন্তু লকডাউনের কারণে আটকা পড়েছি। আটকা পড়লেও সহপাঠী, ছোট ভাই-বোনদের বিপদে পাশে আছি। ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল পদ্ধতিতে চাইলে সবসময় মানুষের পাশে থাকা যায়। এজন্য মানবিক হওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, লকডাউনের শুরুতে বিপদে পড়ে আমার নিজ হল অর্থাৎ কবি সুফিয়া কামাল হলের কিছু ছাত্রী। আমি সবাইকে জানাই; যাদের সমস্যা হচ্ছে আমাকে বলার জন্য। আমি গোপনে সহায়তা পৌঁছে দেব। সেখান থেকে প্রায় ১০০ জনের নাম আসে। আমি যেহেতু এখানে আটকা পড়েছি; তাই সংগঠনের ছোট দুই ভাই এবং এক বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় গোপনে ১০০ জনের কাছে খাদ্যসামগ্রী পাঠাই। এরপর আরও বেশ কিছু বার্তা পেয়েছি; যারা বিভিন্ন মেসে আটকা পড়েছে তাদের। তাদেরও সহায়তা করেছি। পাশাপাশি পরিচিতদের মাধ্যমে অনেকের জন্য গোপনে খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছি।

তিলোত্তমা শিকদার বলেন, এর মধ্যে এমন কিছু ছাত্র-ছাত্রীর খবর পেয়েছি; যারা টিউশনি করে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজের পরিবার চালায়। এমন ২১ জন ছাত্রী এবং ১১ জন ছাত্রকে বিকাশে দুই হাজার টাকা করে দিয়েছি। যদিও এই টাকা কিছুই না। কিন্তু আমার সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু পেরেছি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এসব ছাত্র-ছাত্রীর অনেকেই এখন পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে রয়েছেন।

তিলোত্তমা আরও বলেন, বেশি মেসেজ পাচ্ছি মেয়েদের। কারণ মেয়েরা সবার কাছে সমস্যার কথা বলতে পারে না। যারা শেয়ার করেছে তাদের কাছে ভালোবাসার উপহার পৌঁছে গেছে। ইতোমধ্যে ডাকসু থেকে শিক্ষার্থী সহায়তার ফান্ড চালু হয়েছে। আমার কাছে যারা সাহায্য চেয়েছেন সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। শেষ পর্যন্ত সবার পাশে থাকতে চাই আমি। ঢাবির সব শিক্ষার্থী নিরাপদে থাকুন, এটাই চাই। করোনার ভয় কেটে যাবে। আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরব- সেটাই প্রত্যাশা।

তিলোত্তমা বলেন, এরই মধ্যে শনিবার থেকে শুরু হলো রমজান মাস। ধর্মপ্রাণ মুসলমান একটা বছর অপেক্ষা করে রমজানের জন্য। কিন্তু এবার রমজানের আগে থেকেই শুরু হয়ে গেল করোনা। এর প্রভাব পড়েছে রমজানের ওপর। এ অবস্থায় করোনার সংকটের কারণে অনেকের বাসায় ইফতারের ব্যবস্থা নেই। অনেকের ঘরে খাবার নেই। তাই প্রথম রমজান থেকে বাসায় ইফতার তৈরি করে রাস্তায় বের হয়েছি। সামাজিক দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করেছি শনিবার।

তিনি বলেন, এই ইফতার বিতরণ আমার কাছে জীবনের অন্যতম আনন্দের এক মুহূর্ত মনে হয়েছে। কারণ এসব মানুষ ইফতার পেয়ে যে খুশি হয়েছেন তা দেখে আমার মন ভরে গেছে। আমার জীবন ধন্য হয়ে গেছে। আমার মন চায় এসব মানুষকে আরও দেয়ার, আরও সহযোগিতা করার। যদি প্রতিদিন এক হাজার মানুষকে ইফতার দিতে পারতাম আরও বেশি তৃপ্তি পেতাম। মনের তৃপ্তির জন্য এবার পুরো মাস দরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করব। ইফতার বিতরণ করতে গিয়ে এমন কিছু মানুষ পেয়েছি যারা সাহরি না খেয়েই রোজা রেখেছেন। আমি চেষ্টা করছি, আমার আয়োজনটা আরেকটু বড় করার।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় জাগো নিউজকে বলেন, খুবই ভালো কাজ করছেন তিলোত্তমা। এলাকার মানুষের জন্য ইফতারের ব্যবস্থা করেছেন। ঢাবির ছাত্র-ছাত্রীদের সহযোগিতা করছেন। ছাত্রলীগের সবাইকে তার মতো এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •