দ্বীনের নসীহত

ইসলামী আলোয় আলোকিত হোক জীবন

কোয়ারেন্টিন থেকে ইন্দোনেশিয়ার ১০ মুসল্লিকে গ্রেফতার করল ভারত

jtyij
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কোয়ারেন্টিন থেকে ইন্দোনেশিয়ার তাবলিগ জামাতের ১০ সদস্যকে গতকাল সোমবার গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। ট্যুরিস্ট ভিসার নিয়ম লঙ্ঘন করে গত মার্চে দিল্লির নিজামউদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দেয়ায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এই সময়।

ভারতীয় এই গণমাধ্যম জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতরা ২০ দিন কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হওয়ার পরই ওই বিদেশি নাগরিকদের গ্রেফতার করা হয়। সূত্রের বরাতে খবরে বলা হয়, ২৩ এপ্রিলই তাদের গ্রেফতার দেখিয়েছে মুম্বাই পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৬৯, ২৭০ ও ১৮৮ ধারায় মামলা রুজু হয়। এর পর আদালতে হাজির করা হলে গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়।

মুম্বাই পুলিশের মুখপাত্র প্রণয়া অশোক জানান, ইন্দোনেশিয়া থেকে ভারতে আসা ১২ জনের একটি দল দিল্লির নিজামউদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগ দিয়েছিল। ১ এপ্রিল এই বিদেশিদের চিহ্নিত করে মুম্বাই পুলিশ। এর পর নমুনা টেস্ট করতে পাঠানো হলে দুজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

বাকি ১০ জনের নেগেটিভ। তিনি জানান, করোনা আক্রান্ত বিদেশিদের বান্দ্রার লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ইতিমধ্যে তারাও নেগেটিভ। তবে সেরে উঠলেও আগামী ৮ মে পর্যন্ত তাদের কোয়ারেন্টিনে কাটাতে হবে। বাকি ১০ জনকে ২০ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিন কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি সেই মেয়াদ শেষের পরই গ্রেফতার করা হয়।

মৃত্যু শূন্য ভিয়েতনাম, টানা ১১ দিনে নেই কোন করোনায় আক্রান্ত

ভিয়েতনামে টানা ১১ দিন করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) কেউই শনাক্ত হয়নি। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেশটির করোনাভাইরাস নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ন্যাশনাল স্টিয়ারিং কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে।

ভিয়েতনাম নিউজ অ্যাজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে মোট ২৭০ জন। তার মধ্যে ২২৫ জনই সুস্থ হয়ে গেছে।

বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা ৪৫ জন। তাদের মধ্যে আটজনের অবস্থা গুরুতর। তবে আশার ব্যাপার এই যে, সে দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কেউ এখন পর্যন্ত মারা যায়নি।

উল্লেখ্য, ভিয়েতনামে ৫২ হাজার ৪২৮ জনকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এরমধ্যে হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে ৩২৩ জনকে। এখন পর্যন্ত দেশটিতে দুই লাখ ১২ হাজার ৯৬৫ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে।

আরো পড়ুন

ইরানে একজন করোনারোগীও বিনা চিকিৎসায় মারা যায়নি: রুহানি

শত প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ইর্ষনীয় সাফল্য পেয়েছে ইরান। এমন দাবি করে দেশটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে চিকিৎসা সরঞ্জাম সংগ্রহের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়েছে তেহরান। এতদ সত্ত্বেও করোনাভাইরাস মোকাবেলায় তার দেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

প্রেসিডেন্ট রুহানি স্থানীয় শনিবার সন্ধ্যায় তেহরানে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন।

করোনাভাইরাসকে বিশ্বের সবগুলো দেশের সরকারের জন্য একটি ঐতিহাসিক পরীক্ষা হিসেবে উল্লেখ করে রুহানি বলেন, দেশের অর্থনীতি সচল রেখে কীভাবে জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা যায় গোটা বিশ্ব এখন সে পরীক্ষায় অবতীর্ণ।

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবৈধ নিষেধাজ্ঞার প্রতি ইঙ্গিত করে রুহানি বলেন, বিশ্বের বহু উন্নত দেশ করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেলেও ইরানে এই প্রাণঘাতী রোগে আক্রান্ত কোনো রোগী বিনা চিকিৎসায় মারা যায়নি। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও করোনা রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করেছে তেহরান।

করোনার মাত্রা হ্রাস; ১২৭ শহরের মসজিদ খুলে দিচ্ছে ইরান

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি তার দেশের অন্তত ১০০ শহরের মসজিদসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আবার খুলে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।সম্প্রতি ইরানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে সারাদেশের সকল মসজিদ বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল।

রোববার তেহরানে করোনা মোকাবিলায় গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্সের নিয়মিত বৈঠকের পর এর সভাপতি ড. হাসান রুহানি বলেন, করোনা সংক্রমণের মাত্রা কমে আসার ভিত্তিতে সারাদেশের শহরগুলোকে লাল, হলুদ ও সাদা এই তিন ভাগে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

লাল ও হলুদ হিসেবে চিহ্নিত শহরগুলোতে আগের মতোই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম চালু থাকবে। তবে সংক্রমণ কমে আসার কারণে সাদা হিসেবে চিহ্নিত প্রায় ১২৭টি শহরে বিধিনিষেধ উঠিয়ে নেয়া হচ্ছে। শিগগিরই কিছু নিয়ম মেনে চলার শর্তে এসব শহরের মসজিদগুলো মুসল্লিদের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে জানান প্রেসিডেন্ট রুহানি।

ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি
সাদা শহর চিহ্নিত করার উপায় সম্পর্কে তিনি বলেন, কোনো শহরে যদি এক সপ্তাহে নতুন করে কেউ করোনায় আক্রান্ত না হন বা মারা না যান এবং সেইসঙ্গে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে তবে ওই শহরকে আরো এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণ করা হবে। দ্বিতীয় সপ্তাহে যদি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে তাহলে ওই শহরকে ‘সাদা শহর’ হিসেবে চিহ্নিত করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হবে।

ইরানে এ পর্যন্ত ৯০ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৬৯ হাজার ৬৫৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। এ ছাড়া, ইরানে এই রোগে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৫ হাজার ৭১০ জন


Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •