দ্বীনের নসীহত

ইসলামী আলোয় আলোকিত হোক জীবন

ছেলেরা কি মেয়েদের দিকে তাকাতে পারবেন? ইসলাম কি বলে?

maxresdefault 1 1
Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইসলামে ছেলেদের মেয়েদের দিকে তাকানো নিষেধ!!
মেয়েদের ও ছেলেদের দিকে তাকানো নিষেধ!!
হুম ঠিকই শুনেছেন,,
বর্তমান যুগ এমন একটা যুগ, যেই যুগে মানুষ এই কথা টাকে হেসে উড়িয়ে দিচ্ছে,
আবার কেউ কেউ বলছে, মানুষ মানুষের জন্য, মেয়েদের দিকে তাকালে আবার কিসের গুনাহ!
গত কিছুূদিন আগে এক বোন কে বললাম, আপনি যে আপনার প্রোপাইলে আপনার ছবি দিয়ে রাখছেন! আপনার এই ছবির ফলে কতো ছেলে গুনাহগার হবে, সাথে আপনি নিজেও অনেক বড় গুনাহ্গার হচ্ছেন।
ভেবেছিলাম মেয়েটা কথাটা বুজবে, এবং মানার চেষ্টা করবে।
কিন্তু!
তার কথা শুনে আমি অবাক!
মেয়েটি বলল : মেয়েদের দিকে তাকালে যে গুনাহ, এটার দলিল কি?
অথচ সে নিজেকে জ্ঞানি মনে করে, কিন্তু সে এটা জানেনা যে, পর্দা করা ফরজ! (নাউযুবিল্লাহ)
আবার কেউ কেউ মনে করে, মেয়েরা ছেলেদের দিকে তাকালে কোনো গুনাহ হবেনা,
তাই সহজ সরল কিছু দলিল দিবো, যার দ্বারা আপনি যানতে পারবেন,
ছেলেরা মেয়েদের দিকে তাকালে গুনাহ হবে? এবং মেয়েরা ছেলোদের দিকে তাকালে গুনাহ হবে নাকি না?
পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তা‘য়ালা বলেন :
‘‘মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন।’’
-সূরা: আন-নূর, আয়াত-৩০।
অন্য যায়গায় আল্লাহ পাক বলেন :
ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে।
-সূরা: আন-নূর, আয়াত-৩১।
বুখারী শরীফের এক হাদীসে আছে :-
হযরত উকবা ইবন আমির (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (স.) বলেছেন, মহিলাদের নিকট একাকী যাওয়া থেকে বিরত থাক। জনৈক আনসার জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ! দেবরদের ব্যাপারে কি নির্দেশ? তিনি উত্তর দিলেন, দেবর তো মৃত্যুতুল্য।
বুখারীর শরীফের আরেক হাদীসে আছে,
নবিজী বলেছেন – মাহরম অর্থাৎ যার সাথে শাদী হারাম সে ব্যতীত অন্য কোন পুরুষের সাথে কোন নারী নির্জনে দেখা করবে না এবং স্বামীর অনুপস্থিতিতে কোন নারীর কাছে কোন পুরুষের গমন হারাম।
এই পর্দা সম্পর্কে আরো বহু হাদীস আছে,
যা সময়ের অভাবে এখানে তুলা হল না!
এই দুইটা আয়াত এবং দুইটা হাদীস দ্বারা প্রমানিত হয়ে গেল যে পুরুষের যেই রকম নারীর দিকে তাকালে গুনাহ, সেই রকম নারীরও পুরুষের দিকে তাকালে গুনাহ।
আর এটা কোনো সাধারন গুনাহ না কবিরা গুনাহ অথ্যাৎ বড় গুনাহ।
এই গুনাহ তওবা ছাড়া মাফ হয়না, আমরা তো ঠিক ভাবে নামাজও পড়িনা, তওবা তো দুরের কথা!!! আর একটা কবিরা গুনাহর জন্য হাজার হাজার বছর জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হবে।
বর্তমান যুগের সবচেয়ে বড় ফেতনাবাজ (আহলে হাদীস) এর শায়েখ রা বলেন, ছেলেরা মেয়েদের মুখ দিকে তাকালে নাকি গুনাহ হবেনা!
মুখ খুলে চলাফেরা করা যাবে! (নাউযুবিল্লাহ)
আল্লাহ এদের হেদায়েত দান করুক।
তা ফেসবুকে যে সারাদিন মেয়েদের-ছেলেদের ছবি দেখতেছেন, পরকালেরর শাস্তি কথা কি মনে পরেনা!!
মোট ১৪ জন মেয়ের সাথে পুরুষের দেখা দেওয়া যায়েজ আছে।
১/ আপন মা
২/ দুধ মা
৩/ খালা
৪/ ফুফু
৫/ শাশুড়ি
৬/ আপন বোন
৭/ দুধ বোন
৮/ দাদী
৯/ নানী
১০/ নাতনী
১১/ নিজের মেয়ে
১২/ ভাইয়ের মেয়ে
১৩/ বোনের মেয়ে
১৪/ পুত্র বধু
এই ১৪ জন মহিলা ব্যাতিত কারো সাথে দেখা দেওয়া যায়েজ নাই!
খালতো বোন, মামতো বোন, ফুফাতো বোন, চাচী, মামী, ভাবী এবং অন্য সকল মহিলা, এদের সাথে দেখা দেওয়া সম্পুর্ণ হারাম।
অথচ,
কেউ কেউ বলে ভাবী মায়ের মত, ছিহহ
কোথায় ভাবী আর কোথায় মা।
আর নজরের হেফাজত না করার ফলে শারীরিক ভাবেও অনেক ক্ষতি,
যেমন : চোখের জুতি কমে যাওয়া,
পড়ালেখার মেধা কমে যাওয়া এবং অারো অনেক।
বর্তমানে বাজারে যাওয়া যায়না বেপর্দায় থাকা নারীদের জন্য,
চোখ খুলে হাটা কঠিন হয়ে যায়।
আর এই পর্দা না করার ফলে কতো যায়গায় কতো মা-বোন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে, ধর্শনের শিকার হচ্ছে ,
কেউ আধুনিক ডিজাইনের পর্দা করতেছে, যেই পর্দা করা আর না করা সমান।
আমাদের মা-বোনদের জানা থাকতে হবে,
একটা ফরজ কে যে অস্বিকার করবে সে কাফের, এটা আমার কথা না, নবীজির হাদীস এ পাওয়া কথা।
যেহেতু পর্দা করা ফরজ,
সুতরাং যে পর্দা কে অস্বিকার করল, সে কাফের।
আল্লাহ সবাইকে কথা গুলো বুজার এবং মানার তাওফিক দান করুক ( আমিন)

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •